চাকরি ব্যবসা নেই, তবুও এরশাদপুত্রের হাতে নগদ ৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা

সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্ম'দ এরশাদ ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ দম্পতির সন্তান রাহগির আলমাহি এরশাদ (সাদ)। এরশাদের মৃ'ত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের (সদর) উপনির্বাচনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারই সন্তান সাদ। জাতীয় পার্টির (জাপা) হয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়া সাদ বিধি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দিয়েছেন।

দেশের প্রথম শ্রেণির একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এই সংবাদ প্রকাশ করেছে। সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাদ এরশাদ চাকরি ও ব্যবসা করেন না; সর্বোপরি বছরে তার আয় শূন্য। তবে তার কাছে নগদ টাকা রয়েছে ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৪৩৯। বৈদেশিক মুদ্রাও রয়েছে ২ কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার ২৯১।

হলফনামায় সাদ এরশাদ শপথ করেছেন, ‘এই হলফনামায় প্রদত্ত যাবতীয় তথ্য এবং এ সঙ্গে দাখিল করা সব দলিল দস্তাবেজ আমা'র জ্ঞান ও বিশ্বাসমতে সম্পূর্ণ সত্য ও নির্ভুল।’

হলফনামা'র প্রার্থীর বার্ষিক আয়ের উৎস থেকে জানা যায়, কৃষি, বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান বা অন্যান্য ভাড়া, ব্যবসা/অন্যান্য, শেয়ার/সঞ্চয়/ব্যাংক আমানত, পেশা (শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন, পরামর্শক ইত্যাদি), চাকরি ও অন্যান্য– এ সাতটি খাতের একটি থেকেও সাদ এরশাদের কোনো আয় আসে না।

ফলে তার আয়ের উৎস কী, তা অস্পষ্ট রয়ে গেছে। হলফনামা'র তথ্য অনুযায়ী, সাদ এরশাদ স্নাতক পাস করেছেন। থাকেন রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরে।

হলফনামা থেকে জানা যায়, সাদ এরশাদের অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ৬ কোটি ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৪৩৯ টাকা, বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ ২ কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার ২৯১, পোস্টাল, সেভিংস, সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে বিনিয়োগ/মানি ডিপোজিট ৬০ লাখ টাকা, স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর নির্মিত অলংকার ৫ হাজার টাকা।

তার স্থাবর সম্পদের মধ্যে ৩৩ লাখ টাকা মূল্যের কৃষিজমি, ২৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের দালান আবাসিক/বাণিজ্যিক, ৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা মূল্যের বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে।

হলফনামায় তার অকৃষি জমি ও যানবাহনের মূল্য ‘অজানা’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। মায়ের কাছে ১ লাখ এবং ৬ লাখ টাকা অগ্রিম ভাড়ার দায় বা দেনা রয়েছে সাদ এরশাদের। ৫ অক্টোবর রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।