আবরার হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পি'টিয়ে হ'ত্যায় প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় চুক্তিকে ‘দেশবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

আবরার হ'ত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ফাঁ'সির দাবিতে মহাসড়কে আ'গুন জ্বা'লিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী স্লোগান এবং বক্তব্য দেয়া হয়। এতে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

এ সময় ‘গো ব্যাক ইন্ডিয়া’, ‘করাচি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা’, ‘পানি-বন্দর নদীর দেশ, জবাব দেবে বাংলাদেশ’, ‘দেশবিরোধী চুক্তি, মানি না, মানব না’, ‘শহীদ আবরার দিচ্ছে ডাক, ভারতীয় আগ্রাসন নিপাত যাক’ এমন নানা স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।

ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখার কারণেই বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে হ'ত্যা করা হয়েছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের।

ছাত্র ফ্রন্ট জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্ম'দ দিদার বলেন, বাংলাদেশ সরকার কোনো রকম স্বার্থ ছাড়া দেশের পানি, গ্যাস, বন্দর ভারতকে দিয়ে দিয়েছে। এই একই কথা আবরার বলার কারণে সারারাত পি'টিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। আমরা আবরার হ'ত্যার তীব্র নিন্দা জানাই। আবরার হ'ত্যাকাণ্ড কোনো নির্দিষ্ট অংশের অংশগ্রহণে হয়নি। আমরা মনে করি এটা রাষ্ট্রীয় হ'ত্যাকাণ্ড। আবরার হ'ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সদস্য রাকিবুল রনি বলেন, ‘আবরার খু'ন হয়েছে শুধুমাত্র ভারত পানি নিয়ে যাবে তার বিরোধিতা করার কারণে। দেশের মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোর কারণে ছাত্রলীগের স'ন্ত্রাসীরা তাকে খু'ন করেছে। সরকার এই স'ন্ত্রাসীদের বিচার না করার কারণেই আজকে এমন কাজ করে আসছে তারা।

অবরোধের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নুরুল আলম, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান উপস্থিত হয়ে বিক্ষু'ব্ধ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা জনদুর্ভোগের বি'ষয়টি চিন্তা করে অবরোধ তুলে নেন।