শিবির সন্দেহে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা : ডিএমপি

শিবির সন্দেহেই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পি'টিয়ে হ'ত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

সোমবার (১৪ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আবরার হ'ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ১৯ আ'সামির মধ্যে চারজন আ'দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব'ন্দি দিয়েছেন। আ'সামিদের জবানব'ন্দিতে বলা হয়, মূলত শিবির সন্দেহেই আবরারকে পি'টিয়ে হ'ত্যা করা হয়েছে। আ'সামিদের জবানব'ন্দিতে হ'ত্যার কারণ হিসেবে এমনটাই বেরিয়ে এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী নভেম্বর মাসের শুরুর দিকেই আবরার হ'ত্যা মা'মলার ত'দন্ত শেষ হবে। নভেম্বর মাসেই আ'দালতে মা'মলার চার্জশিট দাখিল করবে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।’

ঘটনার রাতে বুয়েটে পুলিশের কোনো টহল টিম ছিল কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার দিন রাত ৩টা পর্যন্ত বুয়েট এলাকায় পুলিশের একটি টিম টহল দেয়। কিন্তু তারা এ সময় কোনো হইচইয়ের শব্দ পাইনি।’

উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ'ত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় নি'হত আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ ১৯ জনসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে চকবাজার থানায় মা'মলা করেন।